ঢাকা, বৃহস্পতিবার   ০৫ অক্টোবর ২০২৩ ||  আশ্বিন ১৯ ১৪৩০

ঢাকায় নির্মাণ হচ্ছে সবচেয়ে বড় আন্ডারপাস

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ২০:৪২, ২৭ মে ২০২৩  

ঢাকায় নির্মাণ হচ্ছে সবচেয়ে বড় আন্ডারপাস

ঢাকায় নির্মাণ হচ্ছে সবচেয়ে বড় আন্ডারপাস

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এলাকায় আধুনিক আন্ডারপাস নির্মাণ করতে যাচ্ছে সরকার। যাত্রী ও পথচারীরা এর মাধ্যমে নিরাপদে বাস, বিমানবন্দর ও রেলস্টেশনে পৌঁছাতে পারবেন।

সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের প্রস্তাব অনুযায়ী, ১০৭০ মিটার দৈঘ্যের প্রস্তাবিত আন্ডারপাসটিতে নয়টি প্রবেশ ও বহির্গমন পথ থাকবে। এগুলো হলো: হজ ক্যাম্প, আশকোনা, বিমান বন্দর রেলওয়ে (বিআরটি) স্টেশন, বিমানবন্দর টার্মিনাল-১, ২ এবং ৩, বিমান বন্দর উত্তর গেট, দক্ষিণ গেট এবং এমআরটি স্টেশন।

প্রস্তাবনায় বলা হয়েছে, আধুনিক এই আন্ডারপাস নির্মাণে ব্যয় হবে ১১৮৩.৮৭ কোটি টাকা। সরকারি তহবিল থেকে এই অর্থের যোগান দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে। চলতি অর্থবছরেই শুরু হবে প্রকল্পের নির্মাণকাজ। 

রেলওয়ে স্টেশন এবং এর চারপাশে অবস্থিত বেশ কয়েকটি বাস এবং মেট্রো স্টেশনসহ রাজধানীর ব্যস্ততম পয়েন্টগুলোর মধ্যে একটি হচ্ছে বিমানবন্দর গোলচত্বর। এই এলাকায় একটি মাত্র ফুটওভার ব্রিজ থাকায় ঝুঁকি নিয়ে প্রতিদিন লাখ লাখ যাত্রী এ সড়কে চলাচল করে।

গাজীপুর হয়ে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের সঙ্গে যুক্ত বিমানবন্দর সড়কে প্রতিনিয়ত তীব্র যানজট দেখা যায়। ফুটওভার ব্রিজ অপ্রতুল হওয়ায় বিপুল সংখ্যক যাত্রী ও পথচারী এর নিচ দিয়েই রাস্তা পার হওয়ার চেষ্টা করে বিধায় এ জায়গায় প্রায়ই তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়; ঘটে দুর্ঘটনা।

প্রস্তাবিত আন্ডারপাসটি তৈরি হলে যানজট ও দুর্ঘটনা কমবে বলে আশা করা হচ্ছে।

সড়ক ও জনপথ বিভাগের (আরএইচডি) প্রস্তাব অনুযায়ী, আন্ডারপাসটি হবে শতভাগ শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত। এতে থাকবে আটটি লিফট, ২৮টি এসকেলেটর এবং ২৫টি ট্রাভেলেটর।

আরএইচডি'র চিফ ইঞ্জিনিয়ার মো. ইশাক বলেন, "প্রস্তাবিত আন্ডারপাস ব্যবহার করে হজ ক্যাম্প থেকে সরাসরি বিমানবন্দরের টার্মিনালে যাওয়া যাবে। আবার বিমানবন্দর টার্মিনাল থেকে সরাসরি এমআরটি (মেট্রোরেল) স্টেশনে যাওয়া যাবে। যারা বিআরটি পরিবহন ব্যবহার করবে তারা আন্ডারপাসের মাধ্যমে রাস্তা পারাপার হতে পারবে। ভবিষ্যতে আন্ডারপাসটি একটি মাল্টিমোডাল হাব হিসেবে বিবেচিত হবে।"

তিনি আরো জানান, প্রথমবারের মতো এই ধরনের আন্ডারপাস তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। উন্নত দেশগুলোর মতো যাত্রী সেবা ট্রাভেলেটর থাকবে এই আন্ডারপাসে।

চলমান ওয়াকওয়ে হিসেবে পরিচিত ট্রাভেলেটর সাধারণত বিমানবন্দর, ট্রেন স্টেশন বা শপিং মলের মতো জায়গায় মানুষের চলাচলে সুবিধার জন্য ব্যবহৃত হয়।

সর্বশেষ
জনপ্রিয়