ঢাকা, রোববার   ২৪ জানুয়ারি ২০২১ ||  মাঘ ১১ ১৪২৭

জানুয়ারিতে ভ্যাকসিন পাচ্ছে ৫ লাখ কানাডার নাগরিক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশিত: ১১:১৭, ১৩ জানুয়ারি ২০২১  

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

কানাডার বিভিন্ন প্রদেশে করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন দেয়া শুরু হয়েছে। একটি সুষ্ঠু নীতিমালা ও অগ্রাধিকার ভিত্তিতে টিকা দেয়া চলছে।

দেশটির প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো জানান, জানুয়ারির মধ্যে কানাডায় এক মিলিয়ন ডোজ টিকা এসে পৌঁছাবে। প্রতিজনকে দুটি করে ৫ লাখ নাগরিককে জানুয়ারির মধ্যেই টিকা দেয়া যাবে বলে।

এছাড়া আগামী সেপ্টেম্বরের মধ্যে দেশের প্রতিটি প্রাপ্ত বয়স্ক নাগরিকের জন্য করোনা ভ্যাকসিন নিশ্চিতের আশাব্যক্ত করেন তিনি।

অন্যদিকে ২১ জানুয়ারির মধ্যেই টরন্টো, পিল, ইয়র্ক, উইন্ডসর ও এসেক্স সিটিতে অবস্থিত দীর্ঘমেয়াদি সেবাশ্রমের সবাই টিকা পাচ্ছেন বলে অন্টারিও সরকার জানিয়েছে। গত মঙ্গলবার (১২ জানুয়ারি) থেকে এসব স্থানের দীর্ঘমেয়াদি সেবাশ্রমে ফাইজার-বায়োএনটেক ও মর্ডানার করোনা ভ্যাকসিন দেয়া শুরু হয়েছে।

স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের মতে, হটস্পট বিবেচনায় নতুন বছরের প্রথম তিন সপ্তাহে সেখানকার সব বাসিন্দা, কর্মচারী ও পরিচর্যাশীলদের টিকা দেয়া হচ্ছে।

তবে সরকারি ভাষ্যে কতজন তাতে টিকা পাচ্ছেন, সে সংখ্যাটি পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে জানানো না হলেও প্রদেশের টিকা টাস্ক ফোর্সের প্রধান রিক হিলিয়ার বলেছেন, তাতে ৫৫ হাজার ডোজ টিকা সরবরাহ করা হয়েছে।

এরইমধ্যে ৩ জানুয়ারি পর্যন্ত তিন হাজার ডোজ টিকার প্রয়োগ হয়েছে এবং আরও এক হাজার ডোজ টিকা দীর্ঘমেয়াদী সেবাশ্রমে দেয়ার কথা, যা ৬ জানুয়ারি পর্যন্ত ২৬টি সেবাশ্রমে দেয়া হয়েছে। এ ক্ষেত্রে মর্ডানা টিকা দুটির ডোজ ২৮ দিনের ব্যবধানে দেয়া হচ্ছে। আর মর্ডানার ওই টিকা দেয়ার ক্ষেত্রে পাবলিক হেলথ ইউনিটের সম্প্রসারণ কার্যক্রমটি অঙ্গাঙ্গী জড়িত।

উল্লেখ্য, কানাডায় আনুষ্ঠানিকভাবে করোনা ভ্যাকসিন কর্মসূচি শুরু হয় গত ১৪ ডিসেম্বর।

সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, কানাডায় করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা ৬ লাখ ৭৪ হাজার ৪৭৩ জন, মারা গেছেন ১৭ হাজার ২৩৩ জন এবং সুস্থ হয়েছেন ৫ লাখ ৭৬ হাজার ৪৪৭ জন।

অন্যদিকে কানাডার প্রধান চারটি প্রদেশ অন্টারিও, ব্রিটিশ কলম্বিয়া, আলবার্ট, এবং কুইবেকে নাটকীয়ভাবে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। আর করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধির কারণে হাসপাতাল, নিবিড় পরিচর্যাকেন্দ্রে ব্যাপকহারে চাপ পড়ছে। সামাজিক দূরত্ব ও স্বাস্থ্যবিধি মানাসহ সরকারি বিভিন্ন বিধিনিষেধ দেয়া সত্ত্বেও করোনাভাইরাস কোনোভাবেই নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না।

উল্লেখ্য দেশটির সরকার পরিস্থিতি মোকাবিলায় দ্রুততম সময়ে কীভাবে নাগরিকদের করোনা ভ্যাকসিনের আওতায় আনা যায় তার ওপর গুরুত্বারোপ করছে।

সর্বশেষ
জনপ্রিয়